
১৩ জুন ২০২৫: ইসরায়েল “Operation Rising Lion” নামে উদ্বোধনী বিমান হামলা চালায়—উচ্চপ্রযুক্তি ও পরমাণু স্থাপনা লক্ষ্য করে ২০০+ যুদ্ধবিমান ও প্রায় ৩৩০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে।একই সাথে Mossad এসএমএস সহ্যাগে ড্রোন হামলা চালায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপর । ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহিংসা, গত ১৪–১৫ জুন ইরান প্রায় ২০০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়তে শুরু করে তবে অধিকাংশ ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা আত থামিয়ে দেয়। কিছু ধ্বংসাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র হয় দেরীতে নাগাদ ইসরায়েলি স্থাপনায় আঘাত হানে ।
ইরানে ২০০+ ও ইসরায়েলে অন্তত ২৪ জন নিহত হন; উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আহত। তেহরানে ব্যাপক জনউচ্ছ্বাস ও আতঙ্ক; উত্তরে প্রশান্ত মালারিভ্রুতি—তবে নিম্নাংশ নিরাপত্তা হারিয়েছে, বিশেষ করে ঢাকা–ট্রাফিক, ইনস্টলেশন, ইন্টারনেট–সেবায় ।
আন্তর্জাতিক বৈঠক ও প্রতিক্রিয়াতে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ও G7 ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা স্বীকৃতি দেয়, তবে ফ্রান্স ও অন্যান্য দেশ কূটনৈতিক শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানায় । মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প “পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান” চান তবে সরাসরি যুদ্ধবিরোধে অস্বীকৃতি ।ইউএস প্রতিরক্ষা সচিব দক্ষিণ মধ্যপ্রাচ্যে ইউনাইটেড স্টেটস-এর যুদ্ধবিমান ও জাহাজ মোতায়েন ঘোষণা করেন ।
সহিংসতা–আইন, মানবাধিকার ও যুদ্ধবাধ্যতার প্রশ্ন
আন্তর্জাতিক কোর্ট অফ জাস্টিস ও আইনজ্ঞরা ইসরায়েলের আক্রমণকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলছেন এবং যুদ্ধ অপরাধের অভিযোগ তুলছেন । ইরানের রাষ্ট্রদূত ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী পারমাণবিক স্থাপনায় আক্রমণ হলে “সর্বাত্মক যুদ্ধ” হুমকি উচ্চারণ করেছেন