
যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় ড. ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠকটি শুরু হয়। বৈঠকটি ঢাকাতে না হয়ে লন্ডনে হওয়াতে জন সাধারণ মানুষের কাছে সমালোচিত হয়েছে।
ড. ইউনূস রাজনৈতিকভাবে বিএনপি-জামাতপন্থী চিন্তাধারার প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট।আওয়ামী লীগ বিরোধী বক্তব্য, আন্তর্জাতিক মহলে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রচার এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনে গোপন বৈঠক তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
আওয়ামী লীগের মতে, এই সফরে আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থা, সরকার বা রাজনৈতিক দল এই বৈঠককে সমর্থন করেনি। বাংলাদেশের গণতন্ত্র, নির্বাচন বা অর্থনৈতিক ইস্যুতে কোনো নিরপেক্ষ প্রস্তাব বা সমাধান আসেনি। দুর্নীতিবাজদের একত্রীকরণ করা হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের অভিযোগ। এই বৈঠকে একদিকে তারেক রহমান (যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অসংখ্য অভিযোগ), অন্যদিকে ড. ইউনূস(যিনি বিভিন্ন শ্রমিক নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত) – এই দু’জনের মিলিত হওয়া একধরনের সুবিধাবাদী ও দুর্নীতিবান্ধব প্রচারণা।
বৈঠক কে ঘিরে জনআস্থা হ্রাস ও রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈঠকের পর বিএনপির নেতাকর্মীরা এটিকে “বড় অর্জন” বলে প্রচার করে যা আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার হিসেবে দেখা হয়। এতে দেশের ভবিষ্যৎ নির্বাচন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়।
লন্ডনে গিয়ে ইউনূস-তারেক বৈঠক করে কার স্বার্থ রক্ষা করলেন? দেশের নয়। বরং এতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষকতা হয়েছে। জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চক্রান্ত চলছে। বিদেশে ঘুরে বেড়িয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয় না। জনগণের আস্থা ও ভোটেই তা হয়।
আওয়ামী লীগের কর্মকর্তা, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ এ বৈঠককে ফ্যাসিস্ট প্রচার, রাষ্ট্রবিরোধী এবং মানবাধিকার লংঘন হিসেবে অভিহিত করেছে, এবং বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে “বিচার ও পদত্যাগ দাবি” উত্থাপন করেছে ।
অন্য সব দলের থেকে বিএনপি শক্তিশালী এখন। বিএনপি ক্ষমতায় আসবে।