
অমর নেতার ১০১তম জন্মদিন ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দেশজুড়ে তথা প্রবাসেও ব্যাপক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে মুজিব বর্ষের শুভ সূচনা।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে সূর্যোদয়ের সাথে সরকারি পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মাধ্যমে শুরু হয় দিনটি। মহামন্ত্রীসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং “মুজিব কর্নার” ও নতুন ডকুমেন্টেশন সেন্টারের উদ্বোধন ঘটে। জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে জাতীয় প্যারেড স্কোয়ারে ১০ দিনের “মুজিব চিরন্তন” কর্মসূচী শুরু হয়, যার প্রতিটি দিনের আলাদা থিম ও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ শিল্পী, কিশোর-ইতিহাসবিদরা ।
বঙ্গবন্ধুর জীবন, আদর্শ, ও নেতৃত্ব নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা। তাঁর অবদান ও আত্মত্যাগকে জাতির প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দেওয়া। বাংলাদেশের জন্ম ও স্বাধীনতার ইতিহাসকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরা।
আন্তর্জাতিক আয়োজনে উজ্জ্বল উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তেজগাঁওয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আগত ছিলেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার ও সাবেক সচিবসহ মহাপরিচালকসহ একাধিক প্রধান অতিথি, পাশাপাশি ১০০ শিশু জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন ।নিউইয়র্কে জাতিসংঘের মিশন ও নিউ ইয়র্ক কনস্যুলেটে পতাকা উত্তোলন, পুষ্পস্তবক অর্পণ, ভার্চুয়াল শিশু আনন্দমেলায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসীরা অংশগ্রহণ করেন ।আবু ধাবিতে বাংলাদেশের দূতাবাসে প্রবাসীদের নিয়ে আয়োজন করা হয় পতাকা উত্তোলন, কেক কাটা, শিশু-কিশোর কর্মসূচি ও সাংস্কৃতিক আয়োজন ।
জাতিসংঘ, ইউনেস্কো, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও বিভিন্ন দেশের সরকার মুজিব বর্ষকে স্বীকৃতি দেয় ও অভিনন্দন জানায়।ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটানসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা ভার্চুয়ালি বা সরাসরি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
সালাম মুজিব। জাতি তোমাকে আজিবন মনে রাখবে শ্রদ্ধাভরে