
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা বেগ লিয়াকত আলীর উপর ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। তিনি অসুস্থ অবস্থায় থাকাকালীন একদল সন্ত্রাসী অতর্কিতে তাঁর উপর হামলা চালায়। এই ঘটনাকে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ জনগণ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের সঙ্গে দেখছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৫ অগাস্টের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন লিয়াকত আলী। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা করেছে বিরোধী দলের নেতারা। লিয়াকত আলীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঘেরাও করে সন্ত্রাসীরা মারধর শুরু করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। হামলাকারীরা ‘মব জাস্টিস’ এর নামে এই হামলা চালালেও এর প্রকৃত উদ্দেশ্য রাজনৈতিক বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা দাবি করেছেন,
“লিয়াকত আলীর একমাত্র অপরাধ — তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী একজন আওয়ামী লীগ নেতা।”
তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবদান, বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধে সাহসিক ভূমিকা এবং সংগঠনের প্রতি নিষ্ঠার কারণে তিনি দলের অভ্যন্তরে যেমন জনপ্রিয়, তেমনি অপশক্তির টার্গেটে পরিণত হয়েছেন।
আহতের অবস্থা গুরুতর হলেও বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এক বিবৃতিতে বলেছে:
“বীর মুক্তিযোদ্ধার উপর এমন বর্বরোচিত হামলা দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের উপর সরাসরি আঘাত। এটি শুধু একজন নেতার উপর নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উপর আঘাত।”
রাজনৈতিক ভাবে আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে সকল নেতাকর্মীদের উপর হামলা ও মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করে জেলে দেয়া বঙ্গবন্ধুর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত বিপদজনক।