মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি হিংসা ও অত্যাচার”–এর দাবিতে আওয়ামী লীগের জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালের প্রতিবাদ কর্মসূচি।
আওয়ামী লীগ ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির শুরুতে একটি সংগঠিত প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। এতে ছিল
১–৫ ফেব্রুয়ারি: লিফলেট বিতরণ
৬ ও ১০ ফেব্রুয়ারি: মিছিল–সমাবেশ
১৬ ফেব্রুয়ারি: অবরোধ
১৮ ফেব্রুয়ারি: জলবায়ু–সারাদিনের হরতাল ।
মূল দাবি:
শেখ হাসিনা ও তার দলের নেতাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার।ধর্মীয় সংখ্যালঘু—হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানদের—উপর বর্বর হামলা ও অগ্নিসংযোগ প্রতিরোধ।
আগস্ট–ডিসেম্বর ২০২৪–এ প্রায় ২,০১০টি হামলার ঘটনা সংঘটিত হয়, যার মধ্যে রয়েছে— ৫ জন নিহত, মন্দির ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর,গণধর্ষণ এবং ব্যবসা-সম্পত্তি লুটপাট ।বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এ সময় ৫ জন মারা যান, এবং ১৫৭টি বাড়ি, ৬৯টি মন্দির ক্ষতিগ্রস্ত হয় ।
সরকারের নীরবতা ও তদন্ত–প্রতিক্রিয়া: সরকার ও ইন্টারিম প্রশাসন দাবি করে হামলাগুলো রাজনৈতিকভাবে উসকানো হয়েছে, ধর্মীয় নয় ।তবে বিদেশি মিডিয়া ও মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো ‘নির্বাচিত ন্যায়বিচারের ব্যবস্থা না হওয়া’ ও ‘নির্বিচারে হামলা’–এর তীব্র নিন্দা করে ।
আওয়ামী লীগ অভিযোগ করেছে— ইন্টারিম সরকার বিএনপি–জামাতপন্থী হামলাকারীদের সুযোগ করে দিচ্ছে এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা চরমভাবে অবহেলা করছে ।