মুজিব বর্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক ও সেবামূলক কর্মসূচি পালন করেছে। এই উদ্যোগগুলো বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এবং সংগঠনের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে সহায়ক হয়েছে।
গাছ রোপণ কর্মসূচি করে ছাত্রলীগ। “মুজিব বর্ষের আহ্বান, তিনটি করে গাছ লাগান” স্লোগানে দেশব্যাপী গাছ রোপণ।স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, থানা-ইউনিয়ন পর্যায়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের পরিবেশ-সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম।
মুজিব বর্ষ ও করোনা মহামারির সময়কালজুড়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দেশের বিভিন্ন স্থানে কৃষকের ধান কেটে দেওয়ার মতো ব্যতিক্রমধর্মী মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করে, যা গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
বিনামূল্যে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ (কোভিড-১৯ কালীন)।করোনা মহামারির সময়ে বঙ্গবন্ধুর মানবিক চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে মাস্ক, স্যানিটাইজার বিতরণ, জীবাণুনাশক ছিটানো ও দরিদ্রদের খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন।
রক্তদান কর্মসূচি করেন ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মীরা।মুজিব বর্ষে অসংখ্য রক্তদান শিবির আয়োজন করে ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিট।হাসপাতাল ও জরুরি চাহিদার সময় রক্ত সরবরাহে ভূমিকা রাখে।
বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শভিত্তিক পাঠচক্র ও আলোচনা সভা। বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলা পর্যায়ে ‘বঙ্গবন্ধুর জীবন ও সংগ্রাম’ বিষয়ে আলোচনা সভা ও সেমিনার।বঙ্গবন্ধুর বই, বিশেষ করে অসমাপ্ত আত্মজীবনী পাঠের আয়োজন।
বিতরণমূলক সেবা কর্মসূচি পালন করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে খাদ্য, শিক্ষা সামগ্রী, নতুন পোশাক বিতরণ।‘মানবতার সেবায় ছাত্রলীগ’ প্রতিপাদ্যে অনেকে নিজ এলাকায় সহায়তা কার্যক্রম চালায়।
বঙ্গবন্ধুর জন্মস্থান গোপালগঞ্জে শ্রদ্ধা নিবেদন। টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নিয়মিত শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া মাহফিল।
সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া আয়োজন করা।বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি, কবিতা পাঠ, সংগীত প্রতিযোগিতা।“মুজিব বর্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা” — ক্রিকেট, ফুটবল ইত্যাদি।
স্মরণিকা ও প্রকাশনা কর্মসূচি।ছাত্রলীগের উদ্যোগে “মুজিববর্ষ স্মারক প্রকাশনা” ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিশেষ ম্যাগাজিন প্রকাশ।
ছাত্রলীগ মুজিব বর্ষকে শুধুমাত্র উৎসব নয়, একটি দায়িত্ব ও আদর্শের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখেছে যা অতন্ত প্রসংশনীয়।