• সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন
Headline
মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিল ইউকে ও ভয়েস ফর হিউম্যান রাইটস ইউকে। লন্ডনে আওয়ামী লীগের ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান আওয়ামী লীগের গৌরব ও সংহতির ৭৬ বছর “মব জাস্টিস” এর নামে আওয়ামী লীগ নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলা ইরান–ইজরায়েল সংঘাতের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ অবস্থান রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ এয়ার ইন্ডিয়া বিমান দুর্ঘটনা ড. ইউনুসের যুক্তরাজ্য আগমনকে কেন্দ্র করে পার্লামেন্ট ভবনের সামনে প্রতিবাদ ইউনুসের যুক্তরাজ্য সফরের বিরুদ্ধে লন্ডনে জনমত গঠন রাজধানীর বাড্ডায় দুর্বৃত্তের গুলিতে একজন নিহত

লন্ডনে আওয়ামী লীগের ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান

Md Imran Hossain Salman
মঙ্গলবার, ২৪ জুন, ২০২৫

Spread the love

২৩ জুন ২০২৫, সোমবার পূর্ব লন্ডনের রয়াল রিজেন্সি হলে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ কর্তিক আয়োজিত অনুষ্ঠানে দলের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সে শুভেচ্ছা ও বিপ্লবী অভিনন্দন জানান। তিনি এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে দলের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষকে সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেন থেকে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করে আওয়ামী লীগ। সেই সময় থেকেই দলটি অসাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র ও জনকল্যাণের রাজনীতিকে ভিত্তি করে এগিয়ে এসেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মাওলানা ভাসানীর মতো নেতৃবৃন্দের আদর্শের উত্তরাধিকার বহন করছে এই দল। ১৯৫৩ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ হয়ে ওঠে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রধান শক্তি, যার চূড়ান্ত ফলাফল হলো স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়।বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, আজ দেশে একটি অগণতান্ত্রিক শক্তি অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে আমাদের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। লক্ষ লক্ষ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে, কোটি কোটি মানুষকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করছে। এটি আমাদের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত।তিনি মনে করিয়ে দেন, এই অবস্থা ১৯৭১ সালের ইয়াহিয়া খানের দমনমূলক শাসনের মতোই।

তবে তিনি আশার আলো দেখিয়ে বলেন, যেমনটি অতীতে করেছি, এবারও আওয়ামী লীগ অপশক্তিকে পরাজিত করে দেশের গণতন্ত্র ও অধিকার ফিরিয়ে আনবে। বঙ্গবন্ধুর সাহস আর দূরদর্শিতা আমাদের প্রেরণা ও শক্তি।নেতাকর্মীদের প্রতি তাঁর আহ্বান—এই সংকটে ধৈর্য ও মনোবল অটুট রাখুন। নিজের নেতৃত্বে দেশের অর্জন তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা উগ্রবাদের বিরুদ্ধে লড়েছি, দারিদ্র্য কমিয়েছি, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিপুল অগ্রগতি অর্জন করেছি। বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগ একে অন্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আওয়ামী লীগকে এই দেশের মাটি থেকে কেউ মুছে ফেলতে পারবে না।

তিনি তাঁর ভাষণ শেষ করেন জাতীয় স্লোগানে—“জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু”—এবং দেশের দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা জানান। বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্য প্রমাণ করে যে আওয়ামী লীগ এখনো সংকটে অটল এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রাক্তন মন্ত্রীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আবদুর রহমান, হাসান মাহমুদ, এস এম রেজাউল করিম, শফিকুর রহমান চৌধুরী, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, প্রাক্তন সংসদ সদস্য ও অন্যান্য নেতাদের মধ্যে ছিলেন আবু সাঈদ আল মাহমুদ (জয়পুরহাট-২), হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), রণজিৎ সরকার, হাবিবুর রহমান হাবিব, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী (সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd