
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার বিদেশি বিনিয়োগ আসবে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো বিনিয়োগ করার প্রয়োজন হবে না। এক্ষেত্রে বেশকিছু নেতিবাচক দিক আছে বলে নেটিজন রা মনে করেন
পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বিদেশিদের হাতে চলে যাওয়া
যেহেতু বাংলাদেশ কোনো বিনিয়োগ করছে না, অর্থাৎ কোনও মালিকানা অংশ নিচ্ছে না, তাই পুরো প্রকল্প বা কোম্পানির মালিকানা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা থাকবে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে। এতে করে দেশের স্বার্থ উপেক্ষিত হতে পারে।
লাভ বিদেশে চলে যাবে
দেশীয় বিনিয়োগ না থাকায়, প্রকল্প থেকে অর্জিত মুনাফার পুরোটাই বিদেশে পাঠানো হতে পারে। এতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রত্যক্ষভাবে তেমন লাভ নাও হতে পারে, বিশেষ করে যদি স্থানীয় শিল্প বা কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব সীমিত থাকে।
অতিরিক্ত শর্ত আরোপের ঝুঁকি
বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রায়ই সরকার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ওপর বিভিন্ন শর্ত আরোপ করে, যেমন করছাড়, জমি প্রদান, বা অবকাঠামোগত সুবিধা। এতে করে সরকারের ব্যয় বাড়তে পারে বা ন্যায্য সুবিধা থেকে দেশ বঞ্চিত হতে পারে।
জাতীয় নিরাপত্তা বা কৌশলগত ঝুঁকি
কিছু সেক্টরে, যেমন টেলিযোগাযোগ, জ্বালানি, বা তথ্যপ্রযুক্তি—বিদেশি বিনিয়োগ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকির কারণ হতে পারে, বিশেষ করে যদি বিনিয়োগকারী দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বা কৌশলগত সম্পর্ক জটিল হয়।
স্থানীয় শিল্পের উপর চাপ
বড় বিদেশি কোম্পানি যদি বাংলাদেশে আসে, তাহলে তারা স্থানীয় ছোট শিল্প ও উদ্যোক্তাদের জন্য প্রতিযোগিতা বাড়িয়ে দিতে পারে, যা অনেক সময় টিকে থাকা কঠিন করে তোলে।
হাসিনার সময় তো ফরেন বিনিয়োগকারীরা আসতো না। এখন তো তবুও বিনিয়োগ হইতেসে