২০২৩ সালে বাংলাদেশের সাইবার সুরক্ষা আইন (Cyber Security Act, CSA) প্রণয়নে তথ্যপ্রযুক্তির নিরাপত্তা ও ডিজিটাল অপরাধ দমনকে কেন্দ্র করে আইনটি পাশ করা হলেও, এটি ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) আইনের বিদ্যমান সংস্কার হিসেবে, Digital Security Act 2018 (DSA) বাতিল করে এটি ভুক্তভোগীদের অধিকারের সুরক্ষার নামে প্রণীত হয় ।১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩-এ জাতীয় সংসদে CSA পাশ হয়, যা একই দিনে কার্যকর হয় ।
মূল উদ্দেশ্য ও কাঠামো হিসেবে ডিজিটাল নিরাপত্তার নিরাপত্তা বাড়াতে, সাইবার অপরাধ দমন এবং অনলাইন স্পেসে আইন প্রয়োগ করা।
DSA থেকে অধিকাংশ ধারা বহাল থাকে, এবং নতুন নিয়মে ৪টি নতুন সংস্থা তৈরি করা হয়—সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি, CERT, CIRTs, Forensic Lab ইত্যাদি ।
Amnesty International ও অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থা বলছে, DSA-এর ৫৮টি ধারা প্রায় একই রূপে CSA-তে স্থান পেয়েছে, মূলত এটি ‘DSA-এর নতুন নামমাত্র সংস্করণ’ মাত্র । DSA-এর মতো CSA-ও মতপ্রকাশ স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা হুমকির মুখে ফেলে । আইনটিতে রয়েছে অপরিষ্কার ও বিস্তৃত শব্দধারণাগুলি, যার ফলে অন্যায়ের ভিত্তিহীন মামলা ও গ্রেপ্তারযোগ্যতা বাড়তে পারে ।