
২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট, অন্তর্বর্তী সরকার—যার নেতৃত্বে ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস—উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয় ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি বাতিল করার।
ইউনূসের সঙ্গে পৃথক বৈঠক হয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের। বিএনপি-জামায়াত ছাড়া গণতন্ত্র মঞ্চ, সিপিবি, বাসদ, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল, এবি পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও গণ অধিকার পরিষদের সঙ্গে। এই সিদ্ধান্তে বিএনপি, জামায়াত ছাড়াও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন ছিল ।
ছুটি সরাসরি বাতিল হলেও, ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস হিসেবে স্থায়ীভাবে রক্ষা পেয়েছে ।তবে ২০২৪ সালের প্রধান উপদেষ্টা, রাষ্ট্রপতি বা তথ্য বিভাগ থেকে কোনো সরকারি কর্মসূচি বা বাণী ইস্যু হয়নি ; এবং অনেক প্রতিষ্ঠানে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়নি ।
ক্ষমতার অপব্যবহার করে ড. ইউনূস ও তার উপদেষ্টারা, ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের মর্যাদা ক্ষুন্ন করেছে। অন্তর্বর্তী সরকার শোক ও বিজয়ের প্রধান প্রতীকগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে না ।ঐতিহাসিকভাবে স্থাপিত নিয়ম ও রীতিনীতি উপেক্ষা করে, সব গ্রহণযোগ্যতা বাদ দিয়ে ছুটি বাতিলকে ‘অবৈধ ও ঐতিহাসিক ক্ষতি’ হিসেবে দেখা হচ্ছে । রাজনৈতিক প্রতহিংসার কারণে জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যু দিবস ১৫ই আগস্ট সরকারি ছুটি বাতিলের ঘোষণা জাতির জন্য লজ্জাজনক।