
১২ জুন ২০২৫, আহমেদাবাদ (সারদার ভালাভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর) থেকে গ্র্যাগউইক (লন্ডন) চলা এয়ার ইন্ডিয়া Flight AI171। উড্ডয়নের মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যে বিমান একটি চিকিৎসা কলেজের ছাত্রাবাসে ধাক্কা খেয়ে বিধ্বস্ত হয় এবং ব্যাপক আগুনের সাথে বিস্ফোরিত হয় ।
প্রায় ২৭০–২৭৯ জন প্রাণ হারায়, এর মধ্যে ছিল ১৬৯ জন ভারতীয়, ৫৩ জন ব্রিটিশ, ৭ জন পর্তুগিজ, ১ জন কানাডিয়ান ও ১২ জন বিমানের কর্মী।মাত্র একজন ব্রিটিশ নাগরিক, বিশ্বাশ কুমার রমেশ, জীবিত উদ্ধার হন ।
ফ্লাইট এবং ভয়েস রেকর্ডার (black boxes) উদ্ধার করা হয়েছে; হত্যাকাণ্ড তদন্তের জন্য Cockpit Voice Recorder (CVR) ও Flight Data Recorder (FDR) নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে ।ইঞ্জিন থ্রাস্ট, ফ্ল্যাপ ও ল্যাণ্ডিং গিয়ার ত্রুটি, অথবা রক্ষণাবেক্ষণের ত্রুটি—প্রাথমিকভাবে এই কারণগুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে; কিছু পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত “bird strike” তত্ত্ব খারিজ হয়েছে ।
ভারতের DGCA—Boeing 787 Dreamliner বিমানের সমস্ত ফ্লাইট অবিলম্বে সাম্প্রতিক ফ্লাইট প্রি-চেক ও engine/fuel system overhaul নির্দেশ দেয়। World’s Boeing Dreamliner fleet—বিশেষ করে Air India-এর 33 টি Dreamliner—রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপক পরিদর্শনে রাখা হয়েছে ।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার একটি উচ্চ-স্তরের কমিশন গঠন করেছে তিন মাসে প্রাথমিক প্রতিবেদন পেশের লক্ষ্য নিয়ে ।যুক্তরাজ্য, মার্কিন ও Boeing কর্মকর্তারা তদন্তে সহায়তা করছেন ।দুর্ঘটনার ফলস্বরূপ, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিপূর্ণ DNA সনাক্তকরণ, টোল রিভিউ এবং ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ।