
আওয়ামী লীগের সহযোগী দুই সংগঠন যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগকে নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সামাজিক যোগামাধ্যম ফেসবুক-এর এক পোস্টে আসিফ মাহমুদ লিখেছেন, ‘নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সপ্তাহ খানেক আগে থেকেই প্রসেস করে সব ফরমালিটি শেষ করে এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগী সংগঠনগুলোর নিষিদ্ধ এবং রাজনৈতিক ভাবে নিশ্চিহ্ন করণ নিশ্চিত করাই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অঙ্গীকার।’
অনেকে মনে করতে পারেন, এটি ভেতরের রাজনৈতিক শুদ্ধি অভিযান নয় বরং একটি কৌশলগত প্রতিহিংসা বা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে কোণঠাসা করার প্রয়াস। এতে করে সরকারের গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
এই সংগঠন দুটির সাথে যুক্ত ছিল লাখো তরুণ। নিষেধাজ্ঞার ফলে তারা এখন রাজনৈতিক পরিচয় ও ভবিষ্যৎ কর্মপথে অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে। এতে করে তরুণদের মধ্যে হতাশা ও রাজনৈতিক বৈরিতা জন্ম নিতে পারে।