
২০২২ সালে বিএনপির বিভিন্ন জেলা ও মহানগর ইউনিটে পদবণ্টন নিয়ে ব্যাপক অস্থিরতা ও অন্তর্কোন্দলের ঘটনা ঘটে, যা গণমাধ্যমে বেশ সমালোচিত হয়।
ঢাকা মহানগর (উত্তর ও দক্ষিণ): বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণার পর একাধিক ওয়ার্ডে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনেক নেতাকর্মী অভিযোগ করেন, কমিটিতে “অছাত্র”, “অছাত্রদলীয়” বা নতুন-পুরোনো নেতাদের স্বজনপ্রীতি করে পদ দেয়া হয়েছে।কার্যালয়ের সামনে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে প্রতিবাদ হয়, কাউন্সিল ছাড়া কমিটি ঘোষণায় অসন্তোষ বাড়ে।
চট্টগ্রাম মহানগর: চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর জেলা ও থানা পর্যায়ে দ্বন্দ্ব ছড়িয়ে পড়ে। কিছু নেতাকর্মী সংবাদ সম্মেলন করে পদবণ্টনে “একচেটিয়াভাবে সিনিয়র নেতাদের অনুসারীদের প্রাধান্য” দেয়ার অভিযোগ তোলেন।কয়েকটি সভায় হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে সংবাদসূত্রে জানা যায়।
বরিশাল, কুমিল্লা, বগুড়া ও খুলনা জেলা ইউনিট: পদবণ্টন ও কমিটি নিয়ে ক্ষুব্ধ নেতারা গণপদত্যাগের হুমকি, সংবাদ সম্মেলন এবং মিডিয়া বর্জনের ঘোষণা দেন।কিছু জেলা কমিটিতে দলীয়ভাবে দুই বা ততোধিক পক্ষের দ্বন্দ্ব উন্মোচন হয়—যা মাঠ পর্যায়ে দলীয় সংহতিকে দুর্বল করে তোলে।
নেতাকর্মীদের অভিযোগ ছিল: কেন্দ্র থেকে একতরফাভাবে কমিটি ঘোষণা। তৃণমূলের সঙ্গে আলোচনা না করে পদ বণ্টন।দীর্ঘদিনের নেতাদের অবমূল্যায়ন। বহিরাগত বা বিতর্কিতদের পদে বসানো নিয়ে অভিযোগ উঠে।
দলীয় ঐক্য বিনষ্ট হয় এবং আন্দোলনের মাঠে সক্রিয়তাও বাধাগ্রস্ত হয়।সরকারবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয় দুর্বল হয়।বিএনপি হাইকমান্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তৃণমূল নেতাকর্মীরা।