
শান্তি, সহমর্মিতা ও বিশ্ব মানবতার প্রতীক। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক নেতৃত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, যা শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিসরেও প্রশংসিত হয়েছে।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা দমন-পীড়নের মুখে ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।মূলত মুসলিম রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নিপীড়নের কারণে এই অভ্যুত্থান ঘটে।
শেখ হাসিনা বলেন “আমরা মানুষের পাশে আছি, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে। মানবতার কারণেই রোহিঙ্গাদের ঠাঁই দিয়েছি।” রোহিঙ্গা ঢলের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্ত উন্মুক্ত রাখার নির্দেশ দেন। বিশাল সংখ্যক শরণার্থীকে খাদ্য, বাসস্থান, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা প্রদান করা হয়।
শেখ হাসিনা কূটনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘে ভাষণে শেখ হাসিনা ৫ দফা প্রস্তাব দেন, যার মধ্যে ছিল:
রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়া
নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত
জাতিসংঘ তদারকিতে প্রত্যাবাসন
যুদ্ধাপরাধ তদন্ত
আন্তর্জাতিক সহায়তা বৃদ্ধি
শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আদায়ে জাতিসংঘ, ওআইসি, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন জোট ও সংগঠনের কাছে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের আহ্বান জানিয়েছেন।তিনি “Mother of Humanity” উপাধিতে ভূষিত হন।কক্সবাজারের জনসংখ্যার চাপে কিছু রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নিরাপদ ও আধুনিক আশ্রয় দেয়ার উদ্যোগ নেন। এতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, নিরাপত্তা ও জীবনমান নিশ্চিত করা হয়।