অপারেশন ডেভিল হান্ট’– সারা দেশব্যাপী অভিযান চালানো হয়। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে চালু ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’–এ আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মী, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ তালিকাভুক্ত সমর্থকদের বিরুদ্ধে ব্যাপক গ্রেফতার ও অভিযান শুরু হয় ।শুধু read more
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িঘর, দলীয় কার্যালয় গুলোতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, “বুলডোজার মার্চ” নামে পরিচিত একটি আন্দোলনের অংশ হিসেবে,
বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমন্বয়কারীদের দুর্নীতি ও ব্যর্থতা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। যদিও এই সরকার শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে
বাংলাদেশের ‘ইন্টারিম’ সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার ও মানবাধিকার লঙ্ঘন, স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য হুমকি। ৫ই আগস্ট, ২০২৪ এর পর ক্ষমতায় যাবার পর তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের কিছু দিক তুলে ধরা হলো । ১.
অপারেশন ডেভিল হান্ট অভিযান আইনি ও মানবাধিকার পরিপন্থী বলে সমালোচিত, আর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সন্দেহ রয়েছে। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, বাগেরহাটে পুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযান চালিয়ে
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন বিনপি সহ অনান্য রাজনৈতিক দলের কর্মী।
মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি হিংসা ও অত্যাচার”–এর দাবিতে আওয়ামী লীগের জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালের প্রতিবাদ কর্মসূচি। আওয়ামী লীগ ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির শুরুতে একটি সংগঠিত প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়।
বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের নানা ব্যর্থতা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে যা নৈতিক, আইনি ও রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা কে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। প্রশাসনিক দুর্নীতি ও অদক্ষতা: রাজনৈতিক বিবেচনায়